দেশ

বাংলাদেশের যশোরে বিজিবির জালে ভারতীয় নাগরিক, প্রায় ২ কোটি টাকার স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার

Admin মে ১, ২০২৬ 0

বাংলাদেশের যশোরে প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার সকালে যশোর–নড়াইল মহাসড়কের তারাগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তির নাম ওয়াজিদ আলী আমিন আহমেদ (৩১)। তিনি ভারতের মুম্বাইয়ের ভিওয়ান্দি থানার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি গত ২০ এপ্রিল মুম্বাই থেকে দুবাই হয়ে ২১ এপ্রিল ঢাকায় আসেন। এরপর সড়কপথে সাতক্ষীরা হয়ে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফেরার পরিকল্পনা ছিল তার।
আটকের পর বিকেলে নিজ দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যশোর ব্যাটালিয়নের একটি বিশেষ দল যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৯০০ গ্রাম গোল্ড পেস্টসহ ওই ব্যক্তিকে আটক করে। তার কাছ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম, আজারবাইজানের মানাত, ভারতীয় রুপি ও বাংলাদেশি টাকাসহ বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, বাজুসের পরীক্ষায় উদ্ধারকৃত গোল্ড পেস্ট খাঁটি স্বর্ণ হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ ও মুদ্রার মোট বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৯৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা।
আটক ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাকে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে উদ্ধারকৃত স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তি এর আগেও একাধিকবার ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও মিশর হয়ে বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করেছেন।
যশোর কোতয়ালী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, আসামিকে থানায় হস্তান্তরের পর মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয় এবং আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Popular post
একটি অনুষ্ঠানের জন্য বলিউডের সিঙ্গার জুবিন নটিয়াল কত টাকা নেন জানুন

স্টাফ রিপোর্টার।।বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক সিঙ্গার জুবিন নটিয়াল অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক নেন। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে, বড় মাপের কনসার্ট, কর্পোরেট ইভেন্ট বা মেগা শোতে অংশ নিতে সাধারণত ৬০ লাখ থেকে ৮৫ লাখ টাকার মধ্যে ফি দাবি করেন এই জনপ্রিয় গায়ক। তবে অনুষ্ঠানের ধরণ, স্থান, সময় এবং দর্শকসংখ্যা অনুসারে তার পারিশ্রমিকে কিছুটা ওঠানামা দেখা যায়। ছোট বা মাঝারি আকারের ইভেন্টে জুবিন নটিয়ালের ফি তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে, যা প্রায় ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকার মধ্যে সীমিত থাকে। গান পরিবেশনার পাশাপাশি তার যাতায়াত, থাকার ব্যবস্থা, ব্যাকিং ব্যান্ড ও মিউজিক সেটআপের অতিরিক্ত খরচও আয়োজকদের বহন করতে হয়। সাম্প্রতিক সময়ে জুবিন নটিয়াল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সফল লাইভ শো করেছেন, ফলে তার চাহিদাও দিনদিন বাড়ছে। আয়োজকদের মতে, জনপ্রিয়তা ও দর্শক টানার সক্ষমতার কারণে বড় কোনো অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করলে জুবিন নটিয়াল এখন অন্যতম পছন্দের শিল্পী।

আগরতলায় দেহ ব্যবসা ও মাদকের বিস্তার: নীরব দর্শক কি প্রশাসন?

রাজ্যের রাজধানী আগরতলা শহরে দেহ ব্যবসা ও মাদক সেবন–পাচারের মতো সামাজিক অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে প্রকাশ্যেই এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ চললেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, পুলিশের চোখের সামনে দিনের পর দিন এসব চললেও দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপের অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। পূর্ব থানার আশপাশে কয়েকটি হোটেলে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত যুবতীদের মাদক সেবনের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে বলে স্থানীয়দের দাবি। মঠ চৌমুহনী ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন একটি হোটেলে গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে দেহ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে হোটেল কর্তৃপক্ষের একাংশও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত। একই সঙ্গে শহরের প্রাণকেন্দ্র সিটি সেন্টার এলাকায় ইয়াবা ও ব্রাউন সুগারের মতো মাদক প্রকাশ্যে বিক্রির কথাও জানাচ্ছেন বাসিন্দারা। আইজিএম হাসপাতালের আশপাশ, বটতলা ব্রিজ, নাগেরজলা বাজারের মুখ—এই সব জায়গায় মাদক লেনদেনের অভিযোগ নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রবণতা আরও বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। বটতলা ফ্লাইওভারের কাছাকাছি কয়েকটি হোটেল, মিলন চক্র এলাকার একটি স্পা সেন্টার, কৃষ্ণনগর ও জয়নগরের কিছু বিউটি পার্লার—এসব জায়গায় দেহ ব্যবসার বিস্তার ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়, নাবালিকাদেরও এই চক্রে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শহরের বিভিন্ন বহুতল শপিংমল ও আবাসিক এলাকায় অনলাইনের মাধ্যমে খদ্দের জোগাড় করে এই ব্যবসা চালানোর অভিযোগও সামনে এসেছে। ত্রিপুরা ও কলকাতার কিছু চক্র নেটওয়ার্ক তৈরি করে মেয়েদের বিভিন্ন হোটেল ও বাড়িতে পাঠাচ্ছে বলে দাবি। একই সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে পুরুষ সঙ্গী ভাড়ার ঘটনাও ঘটছে বলে জানা গেছে। ফলে সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন চিত্র ফুটে উঠছে আগরতলায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, অতীতে পুলিশ প্রশাসনের কিছু উদ্যোগে এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপে সাময়িক লাগাম পড়েছিল। কৃষ্ণনগর এলাকার কয়েকটি স্পা ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে একসময় একাধিক যুবক-যুবতীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তৎকালীন পুলিশ আধিকারিকদের নেতৃত্বে উদ্ধার হয়েছিল ব্রাউন সুগারের প্যাকেট, নেশার সিরিঞ্জসহ নানা সামগ্রী। সেই সময় কঠোর পদক্ষেপের ফলে কিছু এলাকায় এই ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বলে মনে করেন স্থানীয়রা। কিন্তু বর্তমানে সেই ধারাবাহিকতা বজায় নেই বলে অভিযোগ উঠছে। নাগরিকদের প্রশ্ন—আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি কি কমে গেছে? নাকি অন্য কোনও কারণে এই চক্রগুলি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে? শহরের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বহু নারী–যুবতী অর্থের প্রলোভনে এই কাজে জড়িয়ে পড়ছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমাজকর্মীরা। দ্রুত অর্থ উপার্জনের মোহ ও অপরাধচক্রের প্রভাব মিলিয়ে বহু পরিবার ভাঙনের মুখে পড়ছে। শুধু আগরতলা নয়, বিশালগড়, সোনামুড়া, রানীরবাজার, জিরানিয়া, বক্সনগরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকেও মেয়েদের এনে এই চক্রে যুক্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সামাজিক মাধ্যমে সংগঠিত একাধিক গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে, যারা দেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদক পাচারের সঙ্গেও যুক্ত—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে শহরবাসীর সরল প্রশ্ন—“এসব দেখবে কে?” পুলিশ কি কেবল অভিযোগ শোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি কঠোর অভিযান চালিয়ে অপরাধচক্র ভেঙে দেবে? আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব যাদের হাতে, তাদের সক্রিয়তা ছাড়া এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। সমাজের নৈতিক অবক্ষয়, তরুণ প্রজন্মের বিপথগামিতা এবং মাদকাসক্তির বাড়বাড়ন্ত—সব মিলিয়ে আগরতলার সামনে বড় সামাজিক সংকট তৈরি হয়েছে। এখন দেখার, প্রশাসন কত দ্রুত ও কতটা দৃঢ়তার সঙ্গে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে।

“পাঁচ কোটির প্রতারণা! অভিযুক্তের স্বামী পুলিশ কনস্টেবল, তদন্তে উঠছে প্রশ্ন”

রাজ্যে ফের সামনে এল কোটি কোটি টাকার প্রতারণার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। বিনিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আমবাসার দুই মহিলা— সঞ্জনা দেববর্মা ও নন্দ রানী দেববর্মার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই রাজধানীর NCC থানায় একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ, প্রথমদিকে মোটা সুদের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়মিত কিছু টাকা ফেরত দিলেও পরে আচমকাই মোবাইল বন্ধ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় অভিযুক্তরা। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, কমপক্ষে কুড়ি প্রশাসনের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার প্রতারণা করেছে অভিযুক্তরা। তবে সূত্র জানাচ্ছে হাতিয়ার নেওয়ার টাকার অংকের পরিমান বাস্তবে আরও অনেক বেশি হতে পারে। সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্র মারফত উঠে আসছে আরও বহু অভিযোগ। ফলে প্রশ্ন উঠছে— এই বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পেছনে শুধুই কি দুই মহিলা, নাকি রয়েছে আরও বড় কোনও চক্র? ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিতে সরব হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে এনসিসি থানার তদন্তকারী পুলিশের ভূমিকায় ক্ষতিগ্রস্তরা উদ্বেগ তুলে ধরেছেন গণমাধ্যমের সামনে। তারা অভিযোগ করেছেন ওই দুই মহিলাকে নাকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং এক্ষেত্রে পুলিশ দায়সারা একটা মনোভাব বজায় রেখেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, অভিযুক্ত নন্দ রানী দেববর্মার স্বামী পীযুষ দেববর্মা ত্রিপুরা পুলিশের কর্মরত কনস্টেবল। যে পরিবারের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও দায়িত্ববান হওয়ার কথা, সেই পরিবারের সদস্যের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর প্রতারণার অভিযোগ উঠায় বিস্ময় ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে জনমনে। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, রাজ্যে নানা কৌশলে সাধারণ মানুষের সঞ্চিত অর্থ লুটে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। তাই শুধু অভিযোগ গ্রহণ করেই দায়িত্ব শেষ নয়, প্রকৃত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করুক প্রশাসন— এখন এটাই চাইছে সাধারণ মানুষ।

স্বামীর নির্যাতন, হত্যাচেষ্টা ও মানহানির অভিযোগ—ন্যায়বিচারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ গৃহবধূ সুস্মিতা

স্টাফ রিপোর্টার।। রাজধানীর পটুনগর এলাকার বাসিন্দা সুস্মিতা সাহা স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে শারীরিক, মানসিক নির্যাতন থেকে শুরু করে হত্যাচেষ্টা ও মানহানির মতো গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, ২০২৩ সালের ১০ ডিসেম্বর  উদয়পুরের মাতা বাড়িতে  কালিবাজার নোয়াগাঁও এলাকার  বাসিন্দা সুমন বর্মন (যিনি পেশায় বন্ধন ব্যাংকের কর্মচারী )সঙ্গে তার  বিয়ে হয়। তার পর থেকেই তিনি নিয়মিত স্বামী, শাশুড়ি প্রতিমা বর্মন এবং দেওর সায়ন বর্মনের অত্যাচারের শিকার হন। শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের পাশাপাশি তাকে গর্ভপাতেও বাধ্য করা হয়। বলেন, মাত্র তিন–চার মাসের গর্ভাবস্থায় তাকে জোর করে ওষুধ খাইয়ে সন্তান নষ্ট করে দেওয়া হয়। অত্যাচারের জেরে তিনি লেফুঙ্গা থানায় এফআইআর দায়ের করেন এবং বাপের বাড়ি ফিরে আসেন। দীর্ঘ কয়েক মাস স্বামীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না থাকলেও পরে কাকড়াবন তার মামার বাড়িতে দু’পক্ষের মধ্যে আপাত সমঝোতা হয়। অভিযোগ, এরপর স্বামী তাকে ঘর ভাড়া নিয়ে আলাদাভাবে থাকার কথা বলে। কিন্তু গত ৩০ নভেম্বর ২০২৫ রাতেই পরিস্থিতি আবার বদলে যায়। সুস্মিতার অভিযোগ, সেদিন স্বামী সুমন তাকে বাইকে তুলে নিয়ে যায় এবং উদয়পুর বেলতলীতে তার বোনের বাড়ির সামনে একটি নীরব স্থানে বাইক থেকে লাথি মেরে ফেলে দেয়। সেখানে তার কানে, হাতে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে মারধর করা হয় এবং গলা চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা করা হয়। উল্লেখ্য এই জায়গায় অভিযুক্ত স্বামী সহ তার বড় বোন পারুলি দাস বর্মন জড়িত ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিল স্বামীর ভাই সায়ন বর্মন। সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে প্ল্যান সাজিয়ে এই ঘটনাটা ঘটিয়েছিল। ‌ রক্তাক্ত অবস্থায় টেপানিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনাটি পর নির্যাতিতা সুস্মিতার তরফে সোমা রানী সাহা আর কে পুর মহিলা থানায় মামলা দায়ের করেন। তবে অভিযোগ ঘটনার পর থেকে থানায় উপস্থিত হলেও, পুলিশ কয়দিন ধরে জমাকৃত অভিযোগের রিসিভ কপি দিতে টালবাহানা করে, পরে সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের সামনে বিষয়টি তুলে ধরায় গোমতী পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ আধিকারিকদের নজরে আসে বিষয়টি এবং এরপরই তিনি জমাকৃত অভিযোগ পত্রের রিসিভ কপি পান। এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বলেছেন এমন একটা ভয়ংকর নির্যাতন কান্ডে যদি অভিযুক্তরা ছাড়া পায় তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাস্তবে কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই হয়। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য পুলিশকে উপযুক্ত পদক্ষেপ যথাসময়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়ে থাকেন সেখানে প্রথম থেকেই এই মামলায় পুলিশি তালবাহানা নিয়ে কিন্তু নানান প্রশ্ন উঠে। বিশেষ করে উদয়পুরের সাংবাদিক মহল এ ব্যাপারে ওয়াকিবহাল। এছাড়া, বামুটিয়া এলাকার একটি ফেসবুক পেজ মারফত তাঁর ব্যক্তিগত অতীত ইতিহাস টেনে তাকে কুৎসা রটানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সুস্মিতা। এতে তাঁর মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। তিনি দাবী করেছেন শুধুমাত্র একতরফা অভিযোগগুলি আনা হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে অভিযুক্তদের যোগ সাজস রয়েছে। তিনি বলেছেন যে কোন সংবাদ মাধ্যমের উচিত বাস্তব তথ্য এবং সত্য তুলে ধরা। এটাই হচ্ছে গণমাধ্যমের আসল কর্তব্য কিন্তু এখানে একতরফা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে ব্যক্তিগত কুৎসা রটানো হচ্ছে। সমস্ত ঘটনার ন্যায়বিচার এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নির্যাতিতা সুস্মিতা সাহা। যদিও তিনি চাইছেন যে তিনি স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে কিন্তু বিভিন্ন সূত্র মারফত জানতে পেরেছেন গুণধর এই স্বামী ইতিমধ্যেই অন্য এক মহিলার  সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।গোটা বিষয়টির পরিপ্রেক্ষিতে সুষ্ঠু তদন্ত সহ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নির্যাতিতা এই গৃহবধূ।

সাইকেলের ঘণ্টা থেমে গেল: ‘পচা আচার’-এর জয়ন্ত রায় আর নেই

আগরতলার রাস্তায় এক পরিচিত মুখ আজ আর নেই। সাইকেলের ঘণ্টাধ্বনি আর সেই অনন্য ডাক—“পচা আচার”—চিরতরে থেমে গেল জয়ন্ত রায়ের মৃত্যুর সঙ্গে। শনিবার মোহনপুর বাইপাসে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এই পরিশ্রমী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, যার জীবনসংগ্রাম ছিল অসংখ্য মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক। বহু বছর ধরে আগরতলা শহর ও আশপাশ এলাকায় নিজের হাতে তৈরি “পচা আচার” বিক্রি করতেন জয়ন্ত রায়। নামটি যতই অদ্ভুত হোক, তার আচারের স্বাদ ছিল মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যাওয়ার মতো। প্রতিদিন সাইকেলে চেপে তিনি শহরের অলিগলি ঘুরে বেড়াতেন, আর তার উপস্থিতি যেন এক আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিল শহরের বুকে। জানা যায়, সিধাই মোহনপুরে মেয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসা হলেও শেষরক্ষা হয়নি—চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই মৃত্যু হয় তার। এই আকস্মিক প্রয়াণে পরিবার-পরিজন ছাড়াও শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন অসংখ্য ক্রেতা ও শুভানুধ্যায়ীরা। অভাব-অনটনের মধ্যেও দুই মেয়েকে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করেছেন জয়ন্ত রায়। নিজের পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছিলেন—ক্ষুদ্র ব্যবসাও হতে পারে সম্মানের পথ। তার সংগ্রামী জীবন, অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং সততা আজও অনেকের কাছে পথ দেখাবে। পশ্চিম ভুবনবন এলাকার আকাশে আজ যেন নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এক সাধারণ মানুষ হয়েও অসাধারণ হয়ে ওঠা জয়ন্ত রায়ের এই বিদায় শহরের বুকে রেখে গেল এক অপূরণীয় শূন্যতা।

দেশ

View more
নিহত কর্মীর বাড়িতে গিয়ে জনরোষের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ll ডিম নিক্ষেপ তাঁর উপর ll হেনস্থার শিকার ll

ক্ষমতা হারিয়ে বিপকে বিপাকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় l শনিবার দুপুরে কালীঘাট থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বের হয়ে সোনারপুরের দিকে এগিয়ে যেতেই সঙ্গে-সঙ্গে পরপর ছোড়া হল ডিম। শেষমেশ হেলমেট পরে নামেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপরই পরপর ডিম ছোড়া হয় তাঁকে উদ্দেশ্য করে। অভিষেক বলেন, “মানুষ দেখুন…আমি হাইকোর্টে যাব। পুলিশের কোনও নিরাপত্তা নেই। এখানে ইট পাটকেল ডিম। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রাহ্মণ সন্তান… আমি কি বাংলাদেশি?”আজ থেকে নিগৃহীত দলের কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন বলে ঠিক করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতই সোনারপুরে এসেছেন মৃত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। তারপরই হেনস্থার শিকার হন তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয় কামালগাজি যখন সিগন্যালে দাঁড়ায় সেই সময় কয়েকজন পুরুষ ও মহিলা ছুটে যান। তাঁর গাড়ির কাচ লক্ষ্য করে প্রথমে দেখানো হয় কালো পতাকা। পরে শুরু হয় ‘চোর-চোর’ স্লোগান। মহিলা-পুরুষদের একাংশ ছুটে যান।এরপর সোনারপুরে যে কর্মীর বাড়িতে অভিষেক যাবেন সেই রাস্তায় একদল মহিলা ও পুরুষ রাস্তার দু’ধারে জমায়েত করতে শুরু করেন। শোনা যায় তাঁরা নিজেরা আলোচনা করছিলেন ‘ডিম তৈরি রাখ’এরপর গাড়ি থেকে নামেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাইকে করে ওই কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করেন। হেলমেট পরেন তিনি। জনতার ভিড়ের জন্য আটকে দেওয়া হয় বাইক।তারপর শুরু হয় ডিম ছোড়া। পরপর ডিম ছোড়া হতে থাকে তাঁকে উদ্দেশ্য করে। পাশ থেকে শোনা যায়, ‘মার…মার’ l এর সঙ্গে পিছন থেকে মারধর করা হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় অভিষেকের জামা। তাঁর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা আগলে রাখার চেষ্টা করেন তাঁকে। চিৎকার করে-করে কেউ বা কারা অভিষেককে উদ্দেশ্য করে এই বাংলাদেশি…এই বাংলাদেশি বলতে শুরু করেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় l পাশাপাশি দলও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে l

shironame tripura মে ৩০, ২০২৬ 0

বিনা চিকিৎসায় এক গর্ভবতী মহিলার মৃত্যুর অভিযোগ উঠল আইজিএম হাসপাতালের বিরূদ্ধে ll

আন্তর্জাতিক সীমানা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের নয়া নির্দেশ ll

ককরোচ জনতা পার্টির কার্যকলাপে সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের ll

সপ্তাহে দুদিন মা ক্যান্টিনে পাওয়া যাবে মাছ ভাত ll ঘোষণা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ll

 এবার থেকে সপ্তাহে দু’দিন মা ক্যান্টিনে পাওয়া যাবে মাছ-ভাত। মঙ্গলবার কল্যাণীতে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, মা ক্যান্টিন গুলিতে ৫ টাকাতেই পাওয়া যাবে এই পরিষেবা।রাজ্যে পালাবদলের পর ক্ষমতায় এসে বিজেপি সরকার জানিয়েছিল, রাজ্যের কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। পালাবদলের কারণে কয়েকটি প্রকল্পের পরিষেবা কিছু সময়ের জন্য স্থগিত থাকলেও ফের চালু হবে সব প্রকল্প। সেই মত এবার মা ক্যান্টিন নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, এবার থেকে সপ্তাহে দু’দিন মা ক্যান্টিনে মাছ-ভাত খাওয়ানো হবে। কিন্তু দাম অপরিবর্তিত রাখবে সরকার। মাত্র ৫ টাকাতেই মাছ-ভাত খেতে পারবেন মানুষ। এদিন কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠক শেষে মা ক্যান্টিন নিয়ে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বর্তমানে রাজ্যে মোট ৩৬৭টি মা ক্যান্টিন রয়েছে। সবকটিই চালু থাকবে। আপাতত এই ক্যান্টিনের সংখ্যা পরিবর্তন করা হবে না। তাঁর কথায়, “সপ্তাহে ২ দিন করে মাছ খাওয়াব। ৫ টাকাতেই খাওয়াব।প্রসঙ্গত, ”ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বিজেপি মাছ-মাংস বিরোধী বলে প্রচার শুরু করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যের মানুষ আমিষ খেতে পারবেন না বলেও প্রচার করা হচ্ছিল। কিন্তু রাজ্যে ক্ষমতায় এসে তৃণমূলের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করেছে বিজেপি। বাংলায় নতুন সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের মাছ-ভাত খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছে বর্তমান শাসকদল।

shironame tripura মে ২৬, ২০২৬ 0

অভিনেতা রণবীর সিংকে ব্যান করল ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়ীজ ll

অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথে হাটছে এবার অসম রাজ্য ll

প্রতি মাসে বউয়ের পিঠে চড়ে ব্যাংকে যান শাশুড়ি ll

প্রবল বৃষ্টির জেরে উওর সিকিম বিপর্যয়ের কবলে ll আটকে আছে বহু পর্যটক ll

ফের একবার প্রবল বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিম বিপর্যয়ের কবলে। ফুসছে প্রতিটি নদী ও ঝোরা। শনিবার বিকেলে বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিভিন্ন সড়ক। মেয়ং খোলা উথলে ওঠায় মঙ্গন-চুংথাং সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে। উভয় দিকের সমস্ত যানবাহনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কতজন পর্যটক ঝড়বৃষ্টিতে আটকে পড়েছে সেটা জানা সম্ভব হয়নি। এরমধ্যেই বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তিস্তা। লাল সঙ্কেত জারি করা হয়েছে সিকিমে। যার জেরে কালিম্পংয়ের তিস্তা বাজারে জনমানসের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। জানা গিয়েছে, নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা নিরাপদ এলাকায় পালাতে শুরু করেছে।এদিকে ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন মঙ্গনের জেলাশাসক অনন্ত জৈন এবং এসপি এলবি ছেত্রী। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। শীর্ষ দুই আধিকারিক জানিয়েছেন, রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য মোটেও নিরাপদ নয়। তাই, চুংথাং এবং মঙ্গন উভয় দিক থেকে যানবাহন চলাচল বন্ধ করার জন্য চেকপোস্ট গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলস্তর নেমে গেলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

shironame tripura মে ২৪, ২০২৬ 0

১০ দিন ধরে অচল পরিস্থিতি। মণিপুরে নষ্ট হচ্ছে পণ্যবাহী লরিতে থাকা খাদ্যসামগ্রী, সহ বিভিন্ন সামগ্রী

ককরোচ জনতা পার্টি নিয়ে শোরগোল গোটা দেশ ll

দশটি রাজ্যের ২৪টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন ll

0 Comments