বিদেশ

আফগান সীমান্তে তালিবান হানা উড়ে গেল পাকিস্তানি পুলিশের গাড়ি!

Admin আগস্ট ৭, ২০২৫ 0

বিদ্রোহী হানায় আবার রক্তাক্ত পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশ! তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর যোদ্ধারা আফগানিস্তান সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণ ওয়াজ়িরিস্তান জেলায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উড়িয়ে দিল পুলিশের গাড়ি। বৃহস্পতিবার সকালের এই হামলায় নিহত হয়েছেন এক পুলিশকর্মী-সহ দু’জন। গুরুতর জখম ১৫ জন জন। পাক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডন’ জানিয়েছে, ওয়ানা তহসিলের অন্তর্গত ঘনবসতিপূর্ণ রুস্তম বাজার এলাকায় ওই হামলা হয়েছে। দক্ষিণ ওয়াজ়িরিস্তান ডেপুটি পুলিশ সুপার ইমরানুল্লা জানান, রাস্তার ধারে বিস্ফোরক পুঁতে রেখেছিল টিটিপির বাহিনী। পুলিশের গাড়ি আসতেই রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তাঁর দাবি, জখমদের মধ্যে দুই পুলিশকর্মী। বাকিরা সাধারণ নাগরিক। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে বালোচিস্তানের নৌশকি জেলায় বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) হামলায় নিহত হয়েছিলেন এক মেজর-সহ তিন পাক সেনা। তার রেশ কাটার আগেই আঘাত এল খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে।

Source - Anandabazar

Popular post
একটি অনুষ্ঠানের জন্য বলিউডের সিঙ্গার জুবিন নটিয়াল কত টাকা নেন জানুন

স্টাফ রিপোর্টার।।বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক সিঙ্গার জুবিন নটিয়াল অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক নেন। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে, বড় মাপের কনসার্ট, কর্পোরেট ইভেন্ট বা মেগা শোতে অংশ নিতে সাধারণত ৬০ লাখ থেকে ৮৫ লাখ টাকার মধ্যে ফি দাবি করেন এই জনপ্রিয় গায়ক। তবে অনুষ্ঠানের ধরণ, স্থান, সময় এবং দর্শকসংখ্যা অনুসারে তার পারিশ্রমিকে কিছুটা ওঠানামা দেখা যায়। ছোট বা মাঝারি আকারের ইভেন্টে জুবিন নটিয়ালের ফি তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে, যা প্রায় ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকার মধ্যে সীমিত থাকে। গান পরিবেশনার পাশাপাশি তার যাতায়াত, থাকার ব্যবস্থা, ব্যাকিং ব্যান্ড ও মিউজিক সেটআপের অতিরিক্ত খরচও আয়োজকদের বহন করতে হয়। সাম্প্রতিক সময়ে জুবিন নটিয়াল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সফল লাইভ শো করেছেন, ফলে তার চাহিদাও দিনদিন বাড়ছে। আয়োজকদের মতে, জনপ্রিয়তা ও দর্শক টানার সক্ষমতার কারণে বড় কোনো অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করলে জুবিন নটিয়াল এখন অন্যতম পছন্দের শিল্পী।

আগরতলায় দেহ ব্যবসা ও মাদকের বিস্তার: নীরব দর্শক কি প্রশাসন?

রাজ্যের রাজধানী আগরতলা শহরে দেহ ব্যবসা ও মাদক সেবন–পাচারের মতো সামাজিক অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে প্রকাশ্যেই এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ চললেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, পুলিশের চোখের সামনে দিনের পর দিন এসব চললেও দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপের অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। পূর্ব থানার আশপাশে কয়েকটি হোটেলে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত যুবতীদের মাদক সেবনের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে বলে স্থানীয়দের দাবি। মঠ চৌমুহনী ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন একটি হোটেলে গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে দেহ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে হোটেল কর্তৃপক্ষের একাংশও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত। একই সঙ্গে শহরের প্রাণকেন্দ্র সিটি সেন্টার এলাকায় ইয়াবা ও ব্রাউন সুগারের মতো মাদক প্রকাশ্যে বিক্রির কথাও জানাচ্ছেন বাসিন্দারা। আইজিএম হাসপাতালের আশপাশ, বটতলা ব্রিজ, নাগেরজলা বাজারের মুখ—এই সব জায়গায় মাদক লেনদেনের অভিযোগ নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রবণতা আরও বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। বটতলা ফ্লাইওভারের কাছাকাছি কয়েকটি হোটেল, মিলন চক্র এলাকার একটি স্পা সেন্টার, কৃষ্ণনগর ও জয়নগরের কিছু বিউটি পার্লার—এসব জায়গায় দেহ ব্যবসার বিস্তার ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়, নাবালিকাদেরও এই চক্রে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শহরের বিভিন্ন বহুতল শপিংমল ও আবাসিক এলাকায় অনলাইনের মাধ্যমে খদ্দের জোগাড় করে এই ব্যবসা চালানোর অভিযোগও সামনে এসেছে। ত্রিপুরা ও কলকাতার কিছু চক্র নেটওয়ার্ক তৈরি করে মেয়েদের বিভিন্ন হোটেল ও বাড়িতে পাঠাচ্ছে বলে দাবি। একই সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে পুরুষ সঙ্গী ভাড়ার ঘটনাও ঘটছে বলে জানা গেছে। ফলে সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন চিত্র ফুটে উঠছে আগরতলায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, অতীতে পুলিশ প্রশাসনের কিছু উদ্যোগে এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপে সাময়িক লাগাম পড়েছিল। কৃষ্ণনগর এলাকার কয়েকটি স্পা ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে একসময় একাধিক যুবক-যুবতীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তৎকালীন পুলিশ আধিকারিকদের নেতৃত্বে উদ্ধার হয়েছিল ব্রাউন সুগারের প্যাকেট, নেশার সিরিঞ্জসহ নানা সামগ্রী। সেই সময় কঠোর পদক্ষেপের ফলে কিছু এলাকায় এই ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বলে মনে করেন স্থানীয়রা। কিন্তু বর্তমানে সেই ধারাবাহিকতা বজায় নেই বলে অভিযোগ উঠছে। নাগরিকদের প্রশ্ন—আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি কি কমে গেছে? নাকি অন্য কোনও কারণে এই চক্রগুলি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে? শহরের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বহু নারী–যুবতী অর্থের প্রলোভনে এই কাজে জড়িয়ে পড়ছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সমাজকর্মীরা। দ্রুত অর্থ উপার্জনের মোহ ও অপরাধচক্রের প্রভাব মিলিয়ে বহু পরিবার ভাঙনের মুখে পড়ছে। শুধু আগরতলা নয়, বিশালগড়, সোনামুড়া, রানীরবাজার, জিরানিয়া, বক্সনগরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকেও মেয়েদের এনে এই চক্রে যুক্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সামাজিক মাধ্যমে সংগঠিত একাধিক গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে, যারা দেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদক পাচারের সঙ্গেও যুক্ত—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে শহরবাসীর সরল প্রশ্ন—“এসব দেখবে কে?” পুলিশ কি কেবল অভিযোগ শোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি কঠোর অভিযান চালিয়ে অপরাধচক্র ভেঙে দেবে? আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব যাদের হাতে, তাদের সক্রিয়তা ছাড়া এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। সমাজের নৈতিক অবক্ষয়, তরুণ প্রজন্মের বিপথগামিতা এবং মাদকাসক্তির বাড়বাড়ন্ত—সব মিলিয়ে আগরতলার সামনে বড় সামাজিক সংকট তৈরি হয়েছে। এখন দেখার, প্রশাসন কত দ্রুত ও কতটা দৃঢ়তার সঙ্গে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে।

“পাঁচ কোটির প্রতারণা! অভিযুক্তের স্বামী পুলিশ কনস্টেবল, তদন্তে উঠছে প্রশ্ন”

রাজ্যে ফের সামনে এল কোটি কোটি টাকার প্রতারণার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। বিনিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আমবাসার দুই মহিলা— সঞ্জনা দেববর্মা ও নন্দ রানী দেববর্মার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই রাজধানীর NCC থানায় একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ, প্রথমদিকে মোটা সুদের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়মিত কিছু টাকা ফেরত দিলেও পরে আচমকাই মোবাইল বন্ধ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় অভিযুক্তরা। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, কমপক্ষে কুড়ি প্রশাসনের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার প্রতারণা করেছে অভিযুক্তরা। তবে সূত্র জানাচ্ছে হাতিয়ার নেওয়ার টাকার অংকের পরিমান বাস্তবে আরও অনেক বেশি হতে পারে। সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্র মারফত উঠে আসছে আরও বহু অভিযোগ। ফলে প্রশ্ন উঠছে— এই বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পেছনে শুধুই কি দুই মহিলা, নাকি রয়েছে আরও বড় কোনও চক্র? ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিতে সরব হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে এনসিসি থানার তদন্তকারী পুলিশের ভূমিকায় ক্ষতিগ্রস্তরা উদ্বেগ তুলে ধরেছেন গণমাধ্যমের সামনে। তারা অভিযোগ করেছেন ওই দুই মহিলাকে নাকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং এক্ষেত্রে পুলিশ দায়সারা একটা মনোভাব বজায় রেখেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, অভিযুক্ত নন্দ রানী দেববর্মার স্বামী পীযুষ দেববর্মা ত্রিপুরা পুলিশের কর্মরত কনস্টেবল। যে পরিবারের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও দায়িত্ববান হওয়ার কথা, সেই পরিবারের সদস্যের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর প্রতারণার অভিযোগ উঠায় বিস্ময় ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে জনমনে। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, রাজ্যে নানা কৌশলে সাধারণ মানুষের সঞ্চিত অর্থ লুটে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। তাই শুধু অভিযোগ গ্রহণ করেই দায়িত্ব শেষ নয়, প্রকৃত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করুক প্রশাসন— এখন এটাই চাইছে সাধারণ মানুষ।

স্বামীর নির্যাতন, হত্যাচেষ্টা ও মানহানির অভিযোগ—ন্যায়বিচারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ গৃহবধূ সুস্মিতা

স্টাফ রিপোর্টার।। রাজধানীর পটুনগর এলাকার বাসিন্দা সুস্মিতা সাহা স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে শারীরিক, মানসিক নির্যাতন থেকে শুরু করে হত্যাচেষ্টা ও মানহানির মতো গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, ২০২৩ সালের ১০ ডিসেম্বর  উদয়পুরের মাতা বাড়িতে  কালিবাজার নোয়াগাঁও এলাকার  বাসিন্দা সুমন বর্মন (যিনি পেশায় বন্ধন ব্যাংকের কর্মচারী )সঙ্গে তার  বিয়ে হয়। তার পর থেকেই তিনি নিয়মিত স্বামী, শাশুড়ি প্রতিমা বর্মন এবং দেওর সায়ন বর্মনের অত্যাচারের শিকার হন। শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের পাশাপাশি তাকে গর্ভপাতেও বাধ্য করা হয়। বলেন, মাত্র তিন–চার মাসের গর্ভাবস্থায় তাকে জোর করে ওষুধ খাইয়ে সন্তান নষ্ট করে দেওয়া হয়। অত্যাচারের জেরে তিনি লেফুঙ্গা থানায় এফআইআর দায়ের করেন এবং বাপের বাড়ি ফিরে আসেন। দীর্ঘ কয়েক মাস স্বামীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না থাকলেও পরে কাকড়াবন তার মামার বাড়িতে দু’পক্ষের মধ্যে আপাত সমঝোতা হয়। অভিযোগ, এরপর স্বামী তাকে ঘর ভাড়া নিয়ে আলাদাভাবে থাকার কথা বলে। কিন্তু গত ৩০ নভেম্বর ২০২৫ রাতেই পরিস্থিতি আবার বদলে যায়। সুস্মিতার অভিযোগ, সেদিন স্বামী সুমন তাকে বাইকে তুলে নিয়ে যায় এবং উদয়পুর বেলতলীতে তার বোনের বাড়ির সামনে একটি নীরব স্থানে বাইক থেকে লাথি মেরে ফেলে দেয়। সেখানে তার কানে, হাতে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে মারধর করা হয় এবং গলা চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা করা হয়। উল্লেখ্য এই জায়গায় অভিযুক্ত স্বামী সহ তার বড় বোন পারুলি দাস বর্মন জড়িত ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিল স্বামীর ভাই সায়ন বর্মন। সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে প্ল্যান সাজিয়ে এই ঘটনাটা ঘটিয়েছিল। ‌ রক্তাক্ত অবস্থায় টেপানিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনাটি পর নির্যাতিতা সুস্মিতার তরফে সোমা রানী সাহা আর কে পুর মহিলা থানায় মামলা দায়ের করেন। তবে অভিযোগ ঘটনার পর থেকে থানায় উপস্থিত হলেও, পুলিশ কয়দিন ধরে জমাকৃত অভিযোগের রিসিভ কপি দিতে টালবাহানা করে, পরে সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের সামনে বিষয়টি তুলে ধরায় গোমতী পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ আধিকারিকদের নজরে আসে বিষয়টি এবং এরপরই তিনি জমাকৃত অভিযোগ পত্রের রিসিভ কপি পান। এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বলেছেন এমন একটা ভয়ংকর নির্যাতন কান্ডে যদি অভিযুক্তরা ছাড়া পায় তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাস্তবে কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই হয়। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য পুলিশকে উপযুক্ত পদক্ষেপ যথাসময়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়ে থাকেন সেখানে প্রথম থেকেই এই মামলায় পুলিশি তালবাহানা নিয়ে কিন্তু নানান প্রশ্ন উঠে। বিশেষ করে উদয়পুরের সাংবাদিক মহল এ ব্যাপারে ওয়াকিবহাল। এছাড়া, বামুটিয়া এলাকার একটি ফেসবুক পেজ মারফত তাঁর ব্যক্তিগত অতীত ইতিহাস টেনে তাকে কুৎসা রটানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সুস্মিতা। এতে তাঁর মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। তিনি দাবী করেছেন শুধুমাত্র একতরফা অভিযোগগুলি আনা হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে অভিযুক্তদের যোগ সাজস রয়েছে। তিনি বলেছেন যে কোন সংবাদ মাধ্যমের উচিত বাস্তব তথ্য এবং সত্য তুলে ধরা। এটাই হচ্ছে গণমাধ্যমের আসল কর্তব্য কিন্তু এখানে একতরফা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে ব্যক্তিগত কুৎসা রটানো হচ্ছে। সমস্ত ঘটনার ন্যায়বিচার এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নির্যাতিতা সুস্মিতা সাহা। যদিও তিনি চাইছেন যে তিনি স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে কিন্তু বিভিন্ন সূত্র মারফত জানতে পেরেছেন গুণধর এই স্বামী ইতিমধ্যেই অন্য এক মহিলার  সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।গোটা বিষয়টির পরিপ্রেক্ষিতে সুষ্ঠু তদন্ত সহ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নির্যাতিতা এই গৃহবধূ।

সাইকেলের ঘণ্টা থেমে গেল: ‘পচা আচার’-এর জয়ন্ত রায় আর নেই

আগরতলার রাস্তায় এক পরিচিত মুখ আজ আর নেই। সাইকেলের ঘণ্টাধ্বনি আর সেই অনন্য ডাক—“পচা আচার”—চিরতরে থেমে গেল জয়ন্ত রায়ের মৃত্যুর সঙ্গে। শনিবার মোহনপুর বাইপাসে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এই পরিশ্রমী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, যার জীবনসংগ্রাম ছিল অসংখ্য মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক। বহু বছর ধরে আগরতলা শহর ও আশপাশ এলাকায় নিজের হাতে তৈরি “পচা আচার” বিক্রি করতেন জয়ন্ত রায়। নামটি যতই অদ্ভুত হোক, তার আচারের স্বাদ ছিল মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যাওয়ার মতো। প্রতিদিন সাইকেলে চেপে তিনি শহরের অলিগলি ঘুরে বেড়াতেন, আর তার উপস্থিতি যেন এক আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিল শহরের বুকে। জানা যায়, সিধাই মোহনপুরে মেয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসা হলেও শেষরক্ষা হয়নি—চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই মৃত্যু হয় তার। এই আকস্মিক প্রয়াণে পরিবার-পরিজন ছাড়াও শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন অসংখ্য ক্রেতা ও শুভানুধ্যায়ীরা। অভাব-অনটনের মধ্যেও দুই মেয়েকে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করেছেন জয়ন্ত রায়। নিজের পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছিলেন—ক্ষুদ্র ব্যবসাও হতে পারে সম্মানের পথ। তার সংগ্রামী জীবন, অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং সততা আজও অনেকের কাছে পথ দেখাবে। পশ্চিম ভুবনবন এলাকার আকাশে আজ যেন নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এক সাধারণ মানুষ হয়েও অসাধারণ হয়ে ওঠা জয়ন্ত রায়ের এই বিদায় শহরের বুকে রেখে গেল এক অপূরণীয় শূন্যতা।

বিদেশ

View more
ঈদ মার্কেট শেষে ফেরার পথে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, অপহরণের পর তরুণীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার

ঈদকে সামনে রেখে বাবার সঙ্গে মার্কেট করে বাড়ি ফিরছিলেন কিশোরী রাবেয়া (ছদ্মনাম)। অভিযোগ, ফেরার পথে একদল কিশোর গ্যাং সদস্য তাদের লক্ষ্য করে অনুসরণ করতে থাকে। কিছু দূর যাওয়ার পর নির্জন এলাকায় রাবেয়া ও তার বাবার ওপর হামলা চালানো হয়। রাবেয়ার বাবার মাথায় ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করে দুর্বৃত্তরা রাবেয়াকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় বলে পরিবারের দাবি। পরবর্তীতে জ্ঞান ফিরে এলে রাবেয়ার বাবা স্থানীয়দের সহায়তায় মেয়েকে খুঁজতে শুরু করেন। পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর রাত প্রায় ১টার দিকে ময়মনসিংহ-গাজীপুর মহাসড়কের পাশে অচেতন অবস্থায় রাবেয়াকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে বলে জানা গেছে। রাবেয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে একজন দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে তাকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি পরিবারকে জানানো হলেও ভয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়নি বলে দাবি স্বজনদের। ঘটনার পর এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর ব্যবস্থা, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

Admin মে ২৮, ২০২৬ 0
হর্ষিতা অরোরা

স্কুলের ডিগ্রি নয়, দক্ষতা ও সাহসই পরিচয়: সাহারানপুরের হারশিতা অরোরার ৬ হাজার কোটি টাকার সাফল্যের গল্প

তিনি আবার ফিরবেন বাংলাদেশে ll জানালেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ll

টানা ১৬ বছর ধরে এক নারী সিরিয়াল কিলারকে খুঁজছে জার্মান পুলিশ

তারেক রহমান, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ
ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা সবার: সংখ্যালঘু সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বারবার একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিচ্ছেন—“ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা সবার।” এই বার্তাটি শুধু একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং বর্তমান সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ-এর বিভিন্ন অঞ্চলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতির অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের ওপর দেশ-বিদেশে চাপ বাড়তে থাকে। এমন প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ ও বিভিন্ন সভা-সমাবেশে স্পষ্ট ভাষায় জানান, কোনোভাবেই ধর্মের ভিত্তিতে সহিংসতা বা বৈষম্য বরদাস্ত করা হবে না। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সবাই সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। কারো নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে রাষ্ট্র দায়িত্ব নেবে।” তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে যেমন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তেমনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যেও কিছুটা আস্থার সঞ্চার করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায় প্রসঙ্গে তারেক রহমান সরাসরি কোনো আলাদা অবস্থান না নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। তিনি বারবার বলেছেন, “ধর্ম আলাদা হতে পারে, কিন্তু নাগরিকত্ব একটাই—বাংলাদেশি।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করতে চেয়েছেন যে, রাষ্ট্রের চোখে সব নাগরিক সমান এবং কোনো সম্প্রদায়কে আলাদা করে দেখা হবে না। এছাড়াও তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন যাতে সংখ্যালঘুদের ওপর কোনো ধরনের হামলা বা সম্পত্তি দখলের ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রশাসনকে সক্রিয় রাখতে তিনি বিশেষ মনিটরিং ব্যবস্থাও চালু করার কথা উল্লেখ করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু একটি আশ্বাস নয়, বরং সরকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা—কারণ বাস্তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তারেক রহমান অতীতেও বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় সম্প্রীতির কথা বলেছেন, তবে বর্তমান অবস্থানে এসে তার বক্তব্যের গুরুত্ব অনেক বেশি বেড়েছে। কারণ এখন তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং দেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে তার প্রতিটি বক্তব্য নীতিগত অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, বিরোধী মহল এই বক্তব্যকে কিছুটা রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেও দেখছে। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলের চাপ ও মানবাধিকার ইস্যুকে সামনে রেখেই এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ মনে করছে, দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই ধরনের বার্তা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবেই একটি বহু-ধর্মীয় ও বহু-সংস্কৃতির দেশ। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষেরও কর্তব্য। তারেক রহমানের এই বার্তা যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে তা দেশের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে বলা যায়, “ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা সবার”—এই নীতিকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ঐক্যবদ্ধ ও সহনশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এখন প্রশ্ন একটাই—এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবে রূপ পায়, সেটিই আগামী দিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নির্ধারণ করবে।

Admin এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0

ওয়াশিংটনে নৈশভোজের মধ্যেই গুলির শব্দ, আবারও টার্গেটে ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ক্যান্সারে আক্রান্ত ll চিকিৎসা চলছে তাঁর ll

ইংল্যান্ডের কারাগারে রক্তাক্ত আতঙ্ক: বন্দিদের হাতে বাড়ছে খুন ও সহিংসতা

“স্কুলে ‘নো মোবাইল’ আইন! শিশু সুরক্ষায় কঠোর পথে ইংল্যান্ড”

ইংল্যান্ডে স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার উদ্যোগকে ঘিরে নতুন আইন আনতে যাচ্ছে সরকার। এতদিন এই বিষয়ে নির্দেশিকা থাকলেও তা বাধ্যতামূলক ছিল না, ফলে অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর প্রয়োগে সমস্যা হচ্ছিল। এবার সেই নির্দেশিকাকেই আইনি রূপ দেওয়া হচ্ছে, যাতে সব স্কুলে একসঙ্গে একই নিয়ম কার্যকর করা যায়। সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। প্রথমত, মোবাইল ফোন শিক্ষার্থীদের মনোযোগ নষ্ট করে—পড়াশোনার সময় সোশ্যাল মিডিয়া, গেম বা মেসেজিংয়ের কারণে ক্লাসে বিঘ্ন ঘটে। দ্বিতীয়ত, শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে সাইবার বুলিং, অনলাইন আসক্তি এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতিকর কনটেন্টে সহজ প্রবেশ—এসব বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে। তৃতীয়ত, স্কুলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও মোবাইল নিষিদ্ধ করা কার্যকর বলে মনে করছে সরকার। তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ডের প্রায় ৯০% মাধ্যমিক এবং প্রায় সব প্রাথমিক স্কুলেই আগে থেকেই মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা ছিল। কিন্তু আইনি বাধ্যবাধকতা না থাকায় অনেক সময় অভিভাবক বা শিক্ষার্থীদের আপত্তির মুখে স্কুল কর্তৃপক্ষ কঠোরভাবে নিয়ম প্রয়োগ করতে পারত না। নতুন আইনের ফলে প্রধান শিক্ষকদের হাতে আরও স্পষ্ট ক্ষমতা ও আইনি সমর্থন থাকবে। শুধু ইংল্যান্ডই নয়, ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বা নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। যেমন— ইতালিতে স্কুলে মোবাইল ব্যবহার প্রায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।  হাঙ্গেরি ২০২৪ সাল থেকেই জাতীয় পর্যায়ে ফোন নিষিদ্ধ করেছে।  নেদারল্যান্ডস ও ফ্রান্সে কঠোর সীমাবদ্ধতা চালু রয়েছে। পোল্যান্ড ২০২৬ সাল থেকে ১৬ বছরের নিচের শিক্ষার্থীদের জন্য ফোন নিষিদ্ধ করছে। সুইডেনও ২০২৬ থেকে স্কুলে ফোন জমা রাখার নিয়ম চালু করছে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বৃদ্ধি, সামাজিক মেলামেশা উন্নত করা এবং নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহারের শিক্ষামূলক দিক সীমিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সব মিলিয়ে, শিশুদের সুরক্ষা ও শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ইউরোপজুড়ে স্কুলে মোবাইল ফোন নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে।

Admin এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0

চাঁদ ঘুরে নিরাপদে ফিরলেন নাসার আর্টেমিস–২ মিশনের চার নভোচারী

ইলন মাক্স(৮০০ বিলিয়ন ডলারের মালিক)

৮০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক: ইতিহাস গড়লেন ইলন মাস্ক

লন্ডনের একটি স্কুলে হিন্দু শিক্ষার্থীর কপালে তিলক, শেষ পর্যন্ত স্কুল ছাড়তে হল শিক্ষার্থীকে

0 Comments